Header Ads

Is Diabetes curable ? What Homeopathy says about Diabetes? (বহুমুত্র বা ডায়াবেটিস)


What Homeopathy says about Diabetes
Diabetes
আমাদের দেশে ডায়াবেটিস রোগটি এমন ভাবে বিস্তার লাভ করেছে যে শিশু বৃদ্ধ কেউই এর নাম শুনে নাই এমন লোক পাওয়া কষ্টকর। রোগের কারণ, উপসর্গ, ফলাফল এগুলি জানার ব্যপারে হয়তো কিছুটা ঘাটতি থাকতে পারে তবে নামটি সবার কাছেই পরিচিত। কাজেই এ রোগ নিয়ে আলোচনা অনেকেই করেছেন আমি শুধু হোমিওপ্যাথিতে এই রোগের দৃষ্টিভঙ্গি এবং চিকিৎসা নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করব। 

হোমিওপ্যাথ রোগীর শরীরের লক্ষণ বিচার করে ঔষধ প্রয়োগ করে থাকেন। কাজেই ডায়াবেটিস নামক রোগের জন্য নির্দিষ্ট করে ঔষধের নাম বলা কঠিন তবুও আমরা কিছু রিমেডি নিয়ে আলোচনা করব যার ঔষধ লক্ষণ ডায়াবেটিস রোগের সাথে মিল থাকে। আমার পাঠকগণ সবাই এ বিষয়ে জানেন যে রোগ লক্ষণ ও ঔষধ লক্ষণ মিলে গেলে রোগ নিরাময় সম্ভব তাই হোমিওপ্যাথ আশার আলো দেখায় যে আমার রোগ লক্ষণ দূর করা সম্ভব হলে আপনার ডায়াবেটিস ভাল হবার সম্ভাবনা রয়েছে। রোগীর জন্য প্রকৃত ঔষধ নির্বাচন, শক্তি মাত্রা নির্ধারণ, নিবীড় পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হলে এ রোগ ভাল হবার সম্ভাবনা আছে কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগী এবং ডাক্তারের ধৈর্যের এবং সময়ের অভাব থাকে। যাই হোক। আমরা ডায়াবেটিস মেলিটাস (Diabetes Mellitus) ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস (Diabetes Insipidus) দুটি রোগের ক্ষেত্রেই  বহুল ব্যবহৃত হোমিও ঔষধ গুলি নিয়ে আলোচনা করব। যদিও ডায়াবেটিস দেখা দিলে এলোপ্যাথি ডাক্তাদের নিকট যাওয়াটাই স্বাভাবিক কেননা সেখানে রোগের চিকিৎসা খুব দ্রুত করা সম্ভব হয় এবং এটা প্রচলিত ধারণা যে আইরেটস অব ল্যাঙ্গার হ্যানটস কোন ভাবেই মেরামত করা সম্ভব নয়। তাই হয় ইনসুলিন নতুবা যে সকল ঔষধ দ্বারা রক্ত ও প্রস্রাবের শর্করা কমানো যাবে তা আজীবন ব্যবহার করতে হবে। সাথে নিয়মিত শারীরিক ব্যয়াম বা হাটাহাটি করতে হবে।  

যাই হোক হোমিওপ্যাথিতে যেহেতু লক্ষণ সদৃশ্য ঔষধ ব্যবহার করা যায় এবং সদৃশ্য ঔষধ পাওয়া গেলে এবং যথা নিয়মে প্রয়োগ করলে রোগীর কষ্ট অনেকাংশে কমানো সম্ভব হয়। 

১) সিজিজিয়াম জ্যাম্বোলিনাম [ [ Syzygium Jombolanumডাঃ রোরিকের মতে প্রস্রাবের শর্করার পরিমাণ হ্রাস বা দুর করতে ইহার সমকক্ষ ঔষধই দৃষ্ট হয় না। দূর্বলতা, রোগা হয়ে যাওয়া, প্রবল পিপাসা, অনেক পরিমাণে বার বার প্রস্রাব, প্রস্রাবের আপেক্ষিক গুরুত্ব বৃদ্ধি। বহুমূত্রের কারণে শরীরের ক্ষত প্রভৃতি লক্ষণে ইহা ব্যবহারে বেশ সুফল পাওয়া যায়। সাধারণত ইহার মাদার টিংচার দিয়ে এ রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। 

২) ইউরেনিয়াম নাইট্রিকাম ঃ (Uranium nitricum  1X, 6X, 30 [Uran-n] ) রোগী ডায়াবেটিস রোগে দিন অপেক্ষা রাত্রিতে অনেকবার বহু পরিমাণে প্রস্রাব করে থাকে। রোগীর প্রচুর ক্ষুধা ও পিপাসা থাকে, বেশী খাওয়া সত্ত্বেও শরীর শুকাইয়া যায়। পেটে বায়ু জমে, পেট ফাঁপে। দেহের তাপ কমে যায়, প্রস্রাবের আপেক্ষিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়।  দেহে ও জননেন্দ্রিয়ে ক্ষত হয়। ডাঃ হিউজেস বলেন পেটের অসুখের সাথে ডায়াবেটিস সম্পর্কযুক্ত থাকলে ইহা দ্বারা উপকার হবেই। পাকস্থলীতে জ্বারা, গায়ে জ্বালা, পাকস্থলীতে ক্ষত, পিপাসা, বমন, পেট বেদনা প্রভৃতির ও ইহা মহৌষধ। সম্পূর্ণ ধ্বজভঙ্গ, তৎসহ স্বপ্নদোষ, লিঙ্গ শিথিল, ঠান্ডা, ঘর্মাক্ত। গভাবস্থায় মহিলাদের ডায়াবেটিস হলে এই ঔষধে উপকার পাওয়া যায়। 

৩) এসেটিক এসিড (৬, ৩০) ঃ প্রচুর পরিমাণ শর্করাযুক্ত মলিন প্রস্রাব। রোগীর অত্যন্ত পিপাসা, গায়ের চামড়া ফ্যাকাশে, শুষ্ক, ভয়ানক গাত্রদাহ, মধ্যে মধ্যে ঘাম। বহুবার পরিস্কার পানির মত প্রস্রাব করে এবং তার সাথে উদরাময়, বমি, শোথ, রক্তহীনতা প্রভৃতি লক্ষণ দেখা দেয়।

৪) আর্জেন্ট মেট (৬, ৩০,২০০) ঃ ঘন ঘন প্রচুর পরিমাণে প্রস্রাব হয়। প্রস্রাব ঘোলা ও মিষ্টি গন্ধ। রাত্রিকালে বারবার প্রস্রাবের বেগ হয় ও প্রচুর প্রস্রাব হয়। রোগী অতিশয় দূর্বল ও শীর্ণ। মুখের মধ্যে পচা আস্বাদ, মুখ মন্ডল ঈষৎ পীতবর্ণযুক্ত। পায়ের এবং অন্ডকোষের স্ফীতি ও চুলকানী। পচনশীল ক্ষত প্রবণতা।

৫) রাস এরোম্যাটিকঃ ডায়াবেটিসের সাথে যদি যৌনাঙ্গে অসহ্য চুলকানি লক্ষণটি থাকে তাহলে এই ঔষধটি এক রকম স্পেসিফিক বলা যেতে পারে। প্রস্রাবে এলবুমেন থাকে। রোগী প্রস্রাবের বেগ ধরে রাখতে পারে না। অনবরত ফোঁটা ফোঁটা করে প্রস্রাব নির্গত হয়, বালক বালিকারা ঘুমের মধ্যে অসাড়ে প্রস্রাব করে। মোটেই জানিতে পারে না। বৃদ্ধদের ক্ষেত্রেও ইহা উপকারী। ডায়াবেটিস অসুখে প্রস্রাবের আপেক্ষিক গুরুত্ব কম, বার ও পরিমাণে প্রস্রাব অধিক হয়। প্রবল তৃষ্ণা থাকে। প্রস্রাবের সময় বা তাহার পূর্বে ভয়ানক বেদনা হয়। সেজন্য শিশু কাঁদে।

৬) ক্রিয়োজোট (৬, ৩০,২০০) ঃ রাত্রিতে ঘন ঘন প্রস্রাব এবং প্রতিবার পরিমাণে অনেক প্রস্রাব হয়। হঠাৎ এত প্রস্রাবের চাপ দেখা দেয় যে উঠিতে দেরি সহ্য হয় না। রোগী বিছনায় প্রস্রাব করে, মনে করে সে ঠিকই প্রস্রাবের যায়গায় প্রস্রাব করিতেছে, কিন্তু ঘুম ভাঙ্গিয়া দেখে সবই স্বপ্ন। স্নায়ুমন্ডলির অত্যধিক অবসাদ এবং আনন্দহীনতাসহ নিদ্রালুতা। রোগীর দৃষ্টিশক্তিহীন, মুখের মধ্যে তিক্ত আস্বাদ। প্রস্রাব কালে ও পরে জননেন্দ্রিয়ে অত্যধিক চুলকানি। বুকে ও পিঠে বেদনা বোধ। পেটে পূর্ণতা বোধ হইলেও রোগীর ক্ষুধা বোধ হয়। মল কঠিন ও শুষ্ক।

৭) এসিড ফস (২, ৬, ৩০, ২০০)- ডায়াবেটিস রোগে এই ঔষধটি অধিক সাফল্য দিয়ে থাকে। রোগের প্রথম হতেই অতি প্রচুর পরিমাণে এবং অনেকবার শর্ক রা যুক্ত প্রস্রাব ত্যাগ সেজন্য রোগী রাত্রিতে অনেকবার প্রস্রাব করিতে উঠে। প্রস্রাবের বর্ণ অনেকটা দুধের মত। প্রস্রাব ধরে রাখতে পারে না এবং অসাড়ে প্রস্রাব নির্গত হয়। প্রস্রাবের সহিত জেলির ন্যায় বা রক্তময় শ্লেষ্মা, সম্পূর্ণ পরিস্কার পানির মত প্রস্রাব। কিডনিতে বেদনা, মূত্রাধারে চাপ বোধ। উপরোক্ত লক্ষণের সাথে যদি রোগীর রস, রক্ত শুক্রাদি ক্ষয়ের শোক, তাপ, অধিক অপচয় ও ব্যর্থ প্রেম জনিত নৈরাষ্যের ইতিহাস থাকে তাহলে এই ঔষধটি  অমৃতের মত কাজ করে। ইহার ডায়াবেটিস রোগী শরীরে এক প্রকার চড়চড়ানিযুক্ত শুষ্কতা অনুভব করে যেন মনে হয় সারা শরীরে ডিমের সাদা অংশ লেপে দিয়ে শুকানো হয়েছে। পিপাসা প্রচুর, শরীরের নানা স্থানে ব্রণাদি,  অতিরিক্ত শারীরিক ও মানসিক দূর্বলতা।


৮) ক্যানাবিস ইন্ডিকাঃ প্রস্রাবে পিচ্ছিল শ্লেষ্মা থাকে। প্রস্রাব বের হবার আগে কিছু ক্ষণ অপেক্ষা করিতে হয়। প্রস্রাব ফোঁটা ফোঁটা পড়িতে থাকে অথবা বর্ণহীন প্রচুর প্রস্রাব হয়। মনে হয় যেন মাথা ও মুখের চামড়া টানিয়া ধরিয়াছে। মুখ ও গলার ভিতর শুষ্ক, পিপাসা থাকে কিন্ত ঠান্ডা পানি পান করতে চায় না। ঘুমের মধ্যে ‘বোবায় ধরে’।

৯) কষ্টিকাম (৩০, ২০০)- প্রস্রাবের বেগ এক মুহুর্তও ধারণ করিতে পারে না। অসাড়ে প্রস্রাব নির্গত হয়। রোগী প্রস্রাব ত্যাগ করার সময় জানিতেই পারে না যে এখনও প্রস্রাবের ধারা চলিতেছে কিনা। এছাড়াও বার বার প্রস্রাবের বেগ, অসাড়ে দু এক ফোঁটা প্রস্রাব নিঃসরণ, হাঁচিতে কাশিতে প্রস্রাব নিঃসরণ, প্রস্রাব দ্বারে চুলকানী, চলাফেরা করিতে ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব নিঃসরণ। নিদ্রিত অবস্থায় অসাড়ে বিছানায় প্রস্রাব। প্রস্রাবে লিথিক এসিড প্রচুর পরিমাণে থাকিলে িএবং প্রস্রাবের তলানী কালচে কোটা রংঙের বা ধোঁয়ার মত হইলে ইহা উপকারী।

১০) আর্সেনিক(৬,৩০,২০০)। প্রস্রাবের সাথে প্রচুর এলবুমেন বা চর্বির বিশ্লেষিত অংশ থাকে। বার বার প্রচুর পরিমাণে পানির মত কখনওবা সবুজাভ বা ঘোলা প্রসাবসহ প্রবল পিপাসা, উদরাময়, বুক ধড়ফড়ানি, উদ্বেগ, মুত্যুভয়, দূর্বলতা ও দৈহিক শীর্ণতা থাকে। পায়ের মধ্যে ছোট ছোট ফোষ্কা বাহির হয় অথবা শোথে আক্রান্ত স্থান বিশেষ করিয়া পা ফাটিয়া রস ঝরিতে থাকলে ইহা উপকারী।  পিপাসা অথচ পানি পান করিলেই বমি বা পানের পর পেট পাথরের মত হয়ে উঠে। প্রচুর শর্করাসহ ডায়াবেটিস রোগে আর্সেনিক ব্রোম উপকারী।

১১) ক্যালকেরিয়া ফস (৩, ৬, ৩০, ২০০)। প্রেম বিচ্ছেদ জনিত শোক দুঃখসহ ডায়াবেটিস রোগ। রোগী খুবই দূর্বল ৈথাকে। শর্করাযুক্ত বহুমুত্র পীড়ায় যদি ফুসফুস আক্রান্ত হয় তাহা ইলে ক্যাল ফস বিশেষ উপযোগী। পদদ্বয় শীতল এবং প্রচুর পরিমাণে ঘর্মসহ যক্ষারোগীদের বহুদিন স্থায়ী কাশিসহ ডায়াবেটিস। প্রচুর পমিাণে প্রস্রাবের পর শূণ্য মূত্রাধারে যন্ত্রণা বোধ। রোগী শীর্ণ ও চর্ম কুঞ্চিত, লবনাক্ত দ্রব্যের প্রতি আকাঙ্খা, পিপাসা।

১২) ক্যালকেরিয়া কার্ব (৩, ৩০, ২০০)। প্রস্রাবে অতিশয় দূর্গন্ধ েএবং তাহাতে সাদা তলানি পড়ে, কিন্তু তাহা ঘোলা নহে। অম্ল বা উগ্র গন্ধযুক্ত প্রস্রাব। প্রস্রাব ত্যাগের পর ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব বাহির হয়। রাত্রিকালে অসাড়ে বিছানায় প্রস্রাব করে। রোগীর লবণাক্ত ও মিষ্টি দ্রব্য, ডিম প্রভৃতির প্রতি আকাঙ্খা।  ইহার রোগীর প্রবল পিপাসা ও প্রচুর ক্ষুধা থাকে। রোগীর সহজেই সর্দি লাগে।

১৩) কেলি মিউর (৬, ৩০, ২০০)। অতিশয় শর্করাযুক্ত প্রস্রাব। কিডনীর প্রদাহ, কিডনীতে বেদনা, প্রস্রাবের রং ঘোলাটে, তাহাতে ইউরিক এসিডের তলানী পড়ে। প্রস্রাব নালীতে চুলকানী। বাহ্য শুষ্ক ও ফিকে বর্ণের। সব সময় তন্দ্রভাব ও দূর্বলতা।

১৪) কেলি ফস (৬, ১২, ৩০, ২০০) ঃ নানাবিধ স্নায়বিক পীড়ায় স্নায়বিক অবসাদ, দূর্বলতা, মাথাঘোরা, স্মরণ শক্তির হ্রাস, মাথা খালি বোধ, দূর্বলতা, রক্তহীনতা, বহুদিন পীড়া ভোগ প্রভৃতিসহ পীড়া। স্থির হইয়া থাকিলে উপসর্গ সমূহের বৃদ্ধি এবং ধীরে ধীরে চলিয়া বেড়াইলে উপশম। ডায়াবেটিসের সাথে অতিশয় স্নায়বিক দূর্বলতা। রোগী প্রস্রাবের বেগ ধারণ করিতে পারে না। বার বার অত্যধিক পরিমাণে দূর্গন্ধযুক্ত ও শর্করাযুক্ত প্রস্রাব। প্রস্রাবের আপেক্ষিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়।

১৫) নেট্রাম মিউর ( ৩০, ২০০)। ডায়াবেটিস রোগে প্রস্রাব পরিমাণে বেশী এবং সামান্য ফিকে রং এর হয়। হাঁচি, কাশির সহিত এবং চলিতে ফিরিতে অসাড়ে প্রস্রাব নিঃসরণ। রাত্রিকালে প্রায় প্রতি ঘন্টায় প্রস্রাব ত্যাগ। প্রস্রাব নিঃসরণের পর জ্বালা ও কুটকুট করা নেট্রাম মিউরের বিশেষ লক্ষণ। প্রবল পিপাসা, মুখের মধ্যে শুষ্কতা, কোষ্ঠবদ্ধতা, মুখবর্ণ মলিন। নিদ্রা ও ক্ষুধাহীনতা এবং ঘর্মশূণ্যতা। রোগীর তীক্ত ও লবনাক্ত দ্রব্যের প্রতি আকাঙ্খা। রুটির প্রতি বিতৃষ্ণা।

১৬) নেট্রাম সালফ ( ৬, ৩০, ২০০)। ডায়াবেটিস রোগে এটি একটি চমৎকার ঔষধ। প্রস্রাবে অতি মাত্রায় পিত্ত মিশ্রিত, শর্করা শূণ্য বা শর্করাযুক্ত প্রস্রাব। অনেক সময় প্রচুর সাদা বালির ন্যায় তলানী পড়ে, প্রস্রাবে ইটের গুড়ার ন্যায় তলানী। প্রস্রাবে ফসফেট প্রচুর। রাত্রিকালে প্রস্রাব ত্যাগের জন্য ঘুম ভাঙ্গিয়া যায়। বর্ষায় বা ভিজা মাটিতে থাকিলে যাহাদের পীড়া বৃদ্ধি হয় তাহাদের ডায়াবেটিস রোগে এটি বেশ উপকারী ঔষধ।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.